ব্রেকিং নিউজ :
সিলেটের সঙ্গে ১৮ ঘণ্টা পর রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক সংস্কৃতিমন্ত্রীর সঙ্গে পাকিস্তানের হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ ট্যাক্স কর্মকর্তারা জনগণের বন্ধু, আতঙ্ক নয় : হুইপ বকুল শিশু হাসপাতালে নতুন বহির্বিভাগ ইউনিট উদ্বোধন করলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী বিকল্প পথে সৌদি থেকে চট্টগ্রামে আসছে আরও ১ লাখ টন তেল জ্বালানি ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান মন্ত্রীর শনিবার বায়তুল মোকাররমে বিক্ষোভের ডাক ১১ দলীয় জোটের বেকারত্ব মোকাবিলায় নতুন শিল্প স্থাপনের পরিকল্পনা : শিল্প মন্ত্রী ওসমান হাদি হত্যা: সিআইডির তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল ১৯ এপ্রিল বাণিজ্যমন্ত্রীর সঙ্গে জেটরো’র কান্ট্রি রিপ্রেজেনটেটিভের বৈঠক
  • প্রকাশিত : ২০২৩-১২-০৯
  • ৫৭১৭৪ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
আগামীকাল ১০ ডিসেম্বর ভোলা মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এ দিনে মুক্তিযোদ্ধাদের প্রবল প্রতিরোধের মুখে টিকতে না পেরে ভোলা থেকে লঞ্চযোগে পালিয়ে যায় পাকিস্তানি হানাদার বহিনী। বর্বর হানাদার বাহিনীর কবল থেকে মুক্ত হয় দ্বীপ জেলা ভোলা। 
ওইদিন সকাল থেকেই পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর পালিয়ে যাওয়ার খবরে হাজার-হাজার জনতা নেমে আসে রাজপথে। বিজয়ের উল্লাসে মেতে উঠেন সবাই।
সেইসময়ে পাকিস্তানি হানাদাররা ভোলা পানি উন্নয়ন বোর্ড কার্যালয় ক্যাম্প বসায়। এখানেই মুক্তিযোদ্ধা ও সাধারণ মানুষকে ধরে এনে হত্যা করা হতো। পাশেই গণকবর দেয়া হতো। যা আজকের ওয়াবদা বধ্যভূমি। এছাড়া সদরের খেয়াঘাট এলাকাতেও মানুষ হত্যা করে তেতুলিয়া নদীতে ভাসিয়ে দিতো তারা। আর ভোলা সরকারি স্কুল মাঠ, টাউন স্কুল মাঠ, আলীয়া মাদ্রাসার সামনের এলাকাসহ বিভিন্ন এলাকায় মুক্তিযোদ্ধারা প্রশিক্ষণ নিতো। টনির হাট, দেউলা তালুকদার বাড়ি, বোরহানউদ্দিন বাজার, গুপ্তের বাজার ও গরুর চোখা এলাকায় হানাদার বাহিনীর সাথে মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মুখ যুদ্ধ হয়। 
বীর মুক্তিযোদ্ধা এম এ তাহের  বলেন, মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে ভোলা ছিলো ৯ নং সেক্টরের মেজর জলিলের আন্ডারে। মুক্তিযোদ্ধারা দৌলতখান ও চরফ্যাশন থানায় আক্রমণ করে অস্ত্র সংগ্রহ করে। তা দিয়ে বিভিন্ন এলাকায় যুদ্ধে অংশ নেয়। ডিসেম্বরের প্রথম থেকেই বিভিন্ন স্থান থেকে মুক্তিযোদ্ধাদের বিজয়ের খবর আসতে শুরু করে। ১০ ডিসেম্বর ভোলা হানাদার মুক্ত হয়। সেদিনের স্মৃতি কখোনো ভোলবার নয় বলে জানান তিনি।
১০ ডিসেম্বর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর পালিয়ে যাওয়ার খবর চারিদিকে ছড়িয়ে পড়লে শহরের ভোলার খালে ব্যারিকেড দিয়ে তাদের লঞ্চের গতিরোধ করার চেষ্টা করে মুক্তিকামী জনতা। এসময় তারা গুলিবর্ষণ করতে-করতে পালিয়ে যায়। পরে অবশ্য চাঁদপুরের ডাকাতিয়া নদীতে মিত্র বাহিনীর বিমান হামলায় কার্গো লঞ্চটি ডুবে গেলে পাকিস্তানি হানাদেরদের সব সদস্য নিহত হয়।
বীরমুক্তিযোদ্ধা এম হাবিবুর রহমান জানান, ভোলার পানি উন্নয়ন বোর্ড কার্যালয়ে (ওয়াপদা) পাক বাহিনীর অবস্থান ছিলো। ১০ ডিসেম্বর রাতে ওয়াপদা ঘেরাও এর পরিকল্পনা নেয় মুক্তিযোদ্ধারা। কিন্তু তারা পরাজয় জেনে আগেই সটকে পরে সেখান থেকে। পরে তাদের পালিয়ে যাবার সময় ভোলার খালে আমরা প্রতিহতের চেষ্টা করি। 
এদিকে যথাযথ মর্যাদায় দিবসটি পালনে জেলা প্রশাসন পক্ষ থেকে বর্ণাঢ্য র‌্যালি ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে। 

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat