ব্রেকিং নিউজ :
যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতিকে স্বাগত জানিয়েছেন জাতিসংঘ মহাসচিব সংসদে জুলাই গণঅভ্যুত্থান সুরক্ষা বিল পাস মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধবিরতি নিয়ে বিশ্বজুড়ে প্রতিক্রিয়া ‘ব্যক্তি নয়, পরিবারই উন্নয়নের মূল একক’ : সংসদে প্রধানমন্ত্রী শুক্রবার ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধবিরতি আলোচনা যুদ্ধবিরতি ‘সব জায়গায়’ কার্যকর : পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী সূর্যসেন হলের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় হৃদয় চ্যাম্পিয়ন ‘জেলার ২’-এ থাকছেন না শাহরুখ খান, ‘কিং’ নিয়েই ব্যস্ততা সিলেটের সঙ্গে ১৮ ঘণ্টা পর রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক সংস্কৃতিমন্ত্রীর সঙ্গে পাকিস্তানের হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ
  • প্রকাশিত : ২০১৯-০২-২১
  • ২৮২ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
সিঙ্গাপুরে “আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস”পালিত
প্রবাস ডেক্স:-বাংলাদেশ হাইকমিশন, সিঙ্গাপুর যথাযথ মর্যাদায়“শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস”পালন করেছে। কর্মসূচীর অংশ হিসেবে ২১ ফেব্রুয়ারী ২০১৯ সকালে হাইকমিশনার জনাব মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান সিঙ্গাপুরস্থ বাংলাদেশে কমিউনিটি ও বিভিন্ন বাংলাদেশী সংঠনের সদস্য বৃন্দের উপস্থিতিতে আনুষ্ঠানিক ভাবেজাতীয় পতাকা অর্ধনমিত করেন। এর পর হাইকমিশন প্রাঙ্গণে স্থাপিত অস্থায়ী শহীদ মিনারে ফুলদিয়ে শ্রদ্ধাঞ্জলি জ্ঞাপন করেন মান্যবর হাইকমিশনার, দূতাবাসের কর্মকর্তা-কর্মচারী বৃন্দ এবং সর্বশ্রেণী-পেশার প্রবাসী বাংলাদেশীগণ। দিন ব্যাপী কর্মসূচীর পরবর্তী অংশে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে দিবসটি উপলক্ষে প্রেরিত মহামান্য রাষ্ট্রপতি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, মাননীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রী ও মাননীয় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বাণী পাঠকরা হয়। শহীদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন এবং ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের রুহের মাগফেরাত কামনা ও দেশের অব্যাহত শান্তি, সমৃদ্ধি কামনাকরে মোনাজাতকরা হয়। সন্ধ্যা য়হাইকমিশন মিলনায়তনে আলোচনা সভার শুরতে পুরাতন ঢাকার অগ্নিকান্ডে নিহতদের প্রতিশ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।হাই কমিশনার জনাব মোঃমোস্তাফিজুর রহমান তার বক্তৃতায় বলেন,আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস সারাবিশ্বে ভাষার বৈচিত্র্য উদ্যাপনের একটি প্রেক্ষাপট তৈরীকরেছে। এ প্রসঙ্গে তিনি মহানভাষা আন্দোলনে ভাষা শহীদ ছাড়া ও জাতিরপিতা বঙ্গবন্ধু শেখমুজিবুর রহমান এর অবদান তুলে ধরার সাথে সাথে ১৯৭৪ সালে জাতিসংঘ সাধারন পরিষদে তাঁর বাংলায় বক্তব্য প্রদানের বিষয়টি উল্লেখ করেন। ভাষা আন্দোলনের ঐতিহাসিক গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি আরো বলেন যে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ভাষা আন্দোলনের ধারাবাহিক অর্জনের ফসল। আলোচনা শেষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে স্থানীয় শিল্পীরা অংশ গ্রহণ করেন এবং তাদের সুন্দর পরিবেশনার মাধ্যমে আগত অতিথি ও দর্শকদের প্রশংসালা ভকরেন। অনুষ্ঠানে সিঙ্গাপুরস্থ বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রী এবং বাংলাদেশ কম্যুনিটির নেতৃবৃন্দ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। পরিশেষে, ঐতিহ্যবাহী বাংলাদেশী খাবারে অতিথিদের আপ্যায়ন করা হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat