ব্রেকিং নিউজ :
সিলেটের সঙ্গে ১৮ ঘণ্টা পর রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক সংস্কৃতিমন্ত্রীর সঙ্গে পাকিস্তানের হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ ট্যাক্স কর্মকর্তারা জনগণের বন্ধু, আতঙ্ক নয় : হুইপ বকুল শিশু হাসপাতালে নতুন বহির্বিভাগ ইউনিট উদ্বোধন করলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী বিকল্প পথে সৌদি থেকে চট্টগ্রামে আসছে আরও ১ লাখ টন তেল জ্বালানি ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান মন্ত্রীর শনিবার বায়তুল মোকাররমে বিক্ষোভের ডাক ১১ দলীয় জোটের বেকারত্ব মোকাবিলায় নতুন শিল্প স্থাপনের পরিকল্পনা : শিল্প মন্ত্রী ওসমান হাদি হত্যা: সিআইডির তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল ১৯ এপ্রিল বাণিজ্যমন্ত্রীর সঙ্গে জেটরো’র কান্ট্রি রিপ্রেজেনটেটিভের বৈঠক
  • প্রকাশিত : ২০২৩-১১-১০
  • ৫৬৯৮২ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
 জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেছেন, ব্রিটিশ কাউন্সিল বাংলাদেশের শিক্ষাক্ষেত্রে বহু বছর ধরে কাজ করে আসছে এবং বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে সহজীকরণ ও সমৃদ্ধ করছে। যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থার মধ্যে সমন্বয় ও সংযোগ তৈরি করেছে ব্রিটিশ কাউন্সিল। আজকের পুরস্কারপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের জন্য অত্যন্ত গর্বিত, যা বাংলাদেশের জন্য একটি সাফল্য। এই সাফল্য প্রমাণ করে যে আমাদের শিক্ষার্থীরা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে দক্ষতার সাথে প্রতিযোগিতা করতে পারে এবং শীর্ষ অবস্থানে থাকতে পারে।
রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ব্রিটিশ কাউন্সিল ও পিয়ারসন এডেক্সেলের উদ্যোগে দশমবারের মতো আয়োজিত 'পিয়ারসন এডেক্সেল হাই এচিভার্স এওয়ার্ড সেরেমনি ২০২৩' শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে স্পিকার আজ এসব কথা বলেন। এসময় তিনি শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন। অনুষ্ঠানে মোট ৬১১ জন বাংলাদেশি শিক্ষার্থী 'হাই অ্যাচিভার্স অ্যাওয়ার্ড' অর্জন করেন।
স্পিকার বলেন, বিশ্বায়নের বর্তমান যুগে সবকিছু এখন আন্তঃসংযুক্ত। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার শিক্ষা ব্যবস্থাকে সমৃদ্ধ করা। ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় আজকের শিক্ষার্থীদের এ অর্জন সহায়ক ভূমিকা রাখবে। এই অর্জন শিক্ষার্থীদের সামনে এগিয়ে যাওয়ার ভীত রচনা করেছে। 
ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, বর্তমান সরকারের নানামুখী প্রচেষ্টায় শিক্ষার হার বৃদ্ধির সাথে সাথে এখন ঝড়ে পড়া শিক্ষার্থীর হার উল্লেখযোগ্য মাত্রায় হ্রাস পেয়েছে। কোভিড মহামারি সফলভাবে মোকাবেলা করে প্রত্যন্ত অঞ্চলে মেয়েদেরকে শিক্ষার মূল ধারায় সম্পৃক্ত রাখা সম্ভব হয়েছে। নারীশিক্ষার হার উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় তারা অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হতে পেরেছে, যা দারিদ্র্য দূরীকরণে ভূমিকা রাখছে। বাংলাদেশ এখন ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড-এর সুবিধা ভোগ করছে, যা কাজে লাগিয়ে কাঙ্ক্ষিত অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জন সম্ভব।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে ঢাকায় নিযুক্ত ব্রিটিশ ডেপুটি হাইকমিশনার মিঃ ম্যাট ক্যানেল, ইউকে পিয়ারসনের পরিচালক ডেভিড অ্যালবন ও  প্রেমিলা পলরাজ, ব্রিটিশ কাউন্সিল বাংলাদেশের কান্ট্রি এক্সাম ডিরেক্টর ম্যাক্সিম রায়ম্যান বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও গনমাধ্যম কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat