ব্রেকিং নিউজ :
সিলেটের সঙ্গে ১৮ ঘণ্টা পর রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক সংস্কৃতিমন্ত্রীর সঙ্গে পাকিস্তানের হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ ট্যাক্স কর্মকর্তারা জনগণের বন্ধু, আতঙ্ক নয় : হুইপ বকুল শিশু হাসপাতালে নতুন বহির্বিভাগ ইউনিট উদ্বোধন করলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী বিকল্প পথে সৌদি থেকে চট্টগ্রামে আসছে আরও ১ লাখ টন তেল জ্বালানি ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান মন্ত্রীর শনিবার বায়তুল মোকাররমে বিক্ষোভের ডাক ১১ দলীয় জোটের বেকারত্ব মোকাবিলায় নতুন শিল্প স্থাপনের পরিকল্পনা : শিল্প মন্ত্রী ওসমান হাদি হত্যা: সিআইডির তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল ১৯ এপ্রিল বাণিজ্যমন্ত্রীর সঙ্গে জেটরো’র কান্ট্রি রিপ্রেজেনটেটিভের বৈঠক
  • প্রকাশিত : ২০২৩-০৮-১১
  • ৭৯৮৮ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
মহান মুক্তিযুদ্ধে জেলার ঐতিহাসিক জাহাজমারা দিবস আজ। ১৯৭১ সালের এই দিনটি মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে এক গৌরবোজ্জ্বল দিন।
১৯৭১ সালের এই দিনে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর মারণাস্ত্র, গোলাবারুদ, জ্বালানি ও রসদ নিয়ে সাতটি যুদ্ধজাহাজ নারায়ণগঞ্জ থেকে উত্তরবঙ্গের দিকে যাচ্ছিল। কিন্তু সেগুলোকে আটকে দেন বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকীর নেতৃত্বাধীন কাদেরিয়া বাহিনীর সাহসী কোম্পানি কমান্ডার হাবিবুর রহমান। মুক্তিযুদ্ধের সময় টাঙ্গাইলের যমুনা-ধলেশ্বরী নদীপথের মাটিকাটা এলাকায় দায়িত্বরত ছিলেন এই বীর সেনানী।
দূরদর্শী এই সাহসী যোদ্ধা অল্প কয়েকজন সঙ্গীকে নিয়ে প্রাণপণ লড়াই করে পাকিস্তানি বাহিনীর দুটি অস্ত্রবোঝাই জাহাজ “এস ইউ ইঞ্জিনিয়ার্স এল সি-৩” এবং “এস টি রাজন” ধ্বংস করে দেন। বীর মুক্তিযোদ্ধাদের এই সাফল্যে উত্তরবঙ্গকে ঘিরে পাকিস্তানিদের পরিকল্পনা নস্যাৎ হয়ে যায়।  জাহাজগুলোর নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধারা তৎকালীন ২১ কোটি টাকা মূল্যের অস্ত্রশস্ত্র ও গোলাবারুদ হাতে পেয়েছিলেন।
এই যুদ্ধজাহাজ ও অস্ত্রশস্ত্র উদ্ধারের জন্য মরিয়া ওঠে পাকিস্তানি বাহিনী। দিশেহারা পাকিস্তানি কমান্ড্যান্ট লেফটেন্যান্ট জেনারেল আমির আব্দুল¬াহ খান নিয়াজি ও ব্রিগেডিয়ার কাদের খানের নেতৃত্বে ৪৭ ব্রিগেড, ৫১ কমান্ডো ব্রিগেড ও বিমান বাহিনীর দুটি এফ-৮৬ জেট বিমান মুক্তিবাহিনীকে চারদিক দিয়ে আক্রমণ করে। তবে বীর মুক্তিযোদ্ধা হাবিবুর রহমানের সাহসী নেতৃত্ব পাকিস্তানি বাহিনীকে আবারও পিছু হটতে বাধ্য করে।
মহান মুক্তিযুদ্ধে কমান্ডার হাবিবুর রহমানের বলিষ্ঠ সাহসিকতা ও নেতৃত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে ‘‘বীরবিক্রম’’ ও ‘‘জাহাজমারা হাবিব’’ উপাধিতে ভূষিত করে।
সেই যুদ্ধের ইতিহাস সম্পর্কে মুক্তিযুদ্ধ গবেষক ও লেখক জুলফিকার হায়দার বলেন, “জাহাজমারার ঘটনাটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের একটি স্মরণীয় অধ্যায়। ওই দিনের ঘটনায় আমাদের বিজয় ত্বরান্বিত হয়েছে।” জাহাজমারার ঐতিহাসিক যুদ্ধের কথা নতুন প্রজন্মকে জানাতে টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরের সিরাজকান্দিতে একটি স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ করা হয়েছে। তবে অযতœ-অবহেলায় থাকা স্মৃতিস্তম্ভটি দীর্ঘদিন সংস্কারের অভাবে আজ মলিন হতে বসেছে। দ্রুত স্মৃতিস্তম্ভটি সংস্কারের দাবি জাহাজমারা হাবিবের স্বজন ও স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধাদের।
আজ শুক্রবার দিবসটি স্মরণে জাহাজমারা হাবিব পরিবারের পক্ষ থেকে নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat