ব্রেকিং নিউজ :
সিলেটের সঙ্গে ১৮ ঘণ্টা পর রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক সংস্কৃতিমন্ত্রীর সঙ্গে পাকিস্তানের হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ ট্যাক্স কর্মকর্তারা জনগণের বন্ধু, আতঙ্ক নয় : হুইপ বকুল শিশু হাসপাতালে নতুন বহির্বিভাগ ইউনিট উদ্বোধন করলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী বিকল্প পথে সৌদি থেকে চট্টগ্রামে আসছে আরও ১ লাখ টন তেল জ্বালানি ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান মন্ত্রীর শনিবার বায়তুল মোকাররমে বিক্ষোভের ডাক ১১ দলীয় জোটের বেকারত্ব মোকাবিলায় নতুন শিল্প স্থাপনের পরিকল্পনা : শিল্প মন্ত্রী ওসমান হাদি হত্যা: সিআইডির তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল ১৯ এপ্রিল বাণিজ্যমন্ত্রীর সঙ্গে জেটরো’র কান্ট্রি রিপ্রেজেনটেটিভের বৈঠক
  • প্রকাশিত : ২০২২-১১-২২
  • ২৯৭ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক

মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী লয়েড অস্টিন মঙ্গলবার কম্বোডিয়ায় চীনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী উয়ি ফেঙ্গির সাথে বৈঠক করেছেন। উভয় পক্ষ উত্তেজনার লাগাম টেনে ধরতে এগিয়ে আসার পর তারা এ বৈঠকে মিলিত হলেন। খবর এএফপি’র।
সিমরিপে প্রতিরক্ষামন্ত্রীদের সম্মেলনের ফাঁকে এ বৈঠক হচ্ছে গত জুনের পর অস্টিন ও উয়ির মধ্যে প্রথম বৈঠক। ওই সময় তাদের সাক্ষাতের পর মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার ন্যান্সি পেলোসির তাইওয়ান সফর বেইজিংকে ক্ষুব্ধ করে।
তবে চীন ও যুক্তরাষ্ট্র শীর্ষ কর্মকর্তাদের মধ্যে বৈঠক করে এ দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা প্রশমনে কাজ করে যাচ্ছে।
গত ১৪ নভেম্বর মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ইন্দোনেশিয়ার বালিতে জি২০  শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে তিন ঘণ্টা ধরে বৈঠক করেন। তারা দু’জন প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির এই দুই দেশের নেতার মধ্যে এটি ছিল প্রথম সরাসরি আলোচনা।
পরবর্তীতে ব্যাংককে এশিয়া-প্যাসিফিক সম্মেলনে শি ও মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট কমালা হ্যারিসের মধ্যে বৈঠক হয়।
হোয়াইট হাউসের এক কর্মকর্তা  বলেন, হ্যারিস বাইডেনের বার্তা তুলে ধরে বলেন যে ‘আমরা আমাদের দুই দেশের মধ্যে প্রতিযোগিতা বন্ধে দায়িত্বশীলতার সাথে কাজ করতে যোগাযোগের বিভিন্ন লাইন অবশ্যই উন্মুক্ত রাখবো।’
শি’র উদ্ধৃতি দিয়ে চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম জানায়, এ সময় হ্যারিসকে বলা হয় যে  বাইডেনের সাথে তার বৈঠক ছিল ‘কৌশলগত ও গঠনমূলক’ এবং গুরুত্বপূর্ণ গাইডলাইন যা পরবর্তী ধাপে চীন-যুক্তরাষ্ট্র  সম্পর্কের জন্য তাৎপর্যপূর্ণ।’
গত আগস্টে পেলোসির তাইপে সফরের জবাবে চীন  বড় ধরনের সামরিক মহড়া চালানোর পর তাইপে তাদের প্রতিরক্ষা বাজেট রেকর্ড পরিমাণে বৃদ্ধির পরিকল্পনা ঘোষণা করে।
পেলোসির সফরের এক সপ্তাহ পর চীন তাইওয়ানের জল ও আকাশসীমায় যুদ্ধজাহাজ, ক্ষেপণাস্ত্র ও যুদ্ধবিমান পাঠায়। ১৯৯০’র দশকের মাঝামাঝি সময়ের পর এটি ছিল বেইজিংয়ের বৃহত্তম ও আগ্রাসনমূলক সামরিক মহড়া।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat