ব্রেকিং নিউজ :
সিলেটের সঙ্গে ১৮ ঘণ্টা পর রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক সংস্কৃতিমন্ত্রীর সঙ্গে পাকিস্তানের হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ ট্যাক্স কর্মকর্তারা জনগণের বন্ধু, আতঙ্ক নয় : হুইপ বকুল শিশু হাসপাতালে নতুন বহির্বিভাগ ইউনিট উদ্বোধন করলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী বিকল্প পথে সৌদি থেকে চট্টগ্রামে আসছে আরও ১ লাখ টন তেল জ্বালানি ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান মন্ত্রীর শনিবার বায়তুল মোকাররমে বিক্ষোভের ডাক ১১ দলীয় জোটের বেকারত্ব মোকাবিলায় নতুন শিল্প স্থাপনের পরিকল্পনা : শিল্প মন্ত্রী ওসমান হাদি হত্যা: সিআইডির তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল ১৯ এপ্রিল বাণিজ্যমন্ত্রীর সঙ্গে জেটরো’র কান্ট্রি রিপ্রেজেনটেটিভের বৈঠক
  • প্রকাশিত : ২০২২-০৯-১২
  • ৪৪৩ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, জাতীয় সংসদের দীর্ঘতম সময়ের উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীর মৃত্যুতে এমন একজন বর্ণাঢ্য সংগ্রামীর জীবনাবসান ঘটেছে, যিনি ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা, বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহচর এবং ১৯৭৫ সালের পর আওয়ামী লীগকে সংগঠিত করার ক্ষেত্রে অকুতোভয় নেত্রী। 
আজ সোমবার বিকেলে ঢাকায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সদ্য প্রয়াত সাজেদা চৌধুরীর কফিনে পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।
আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলেন, দলের দু:সময়ে, স্বাধীনতা সংগ্রামে, স্বাধীনতা যুদ্ধে তার গুরুত্বপূর্ণ অবদান ছিল। ১৯৮১ সালে আমাদের নেত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার পর তার সাথে সবসময় ছায়ার মতো ছিলেন সাজেদা চৌধুরী। এছাড়া ২০০৭-২০০৮ সালে যখন অনেকেই মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিল তখন বেগম সাজেদা চৌধুরী নেত্রীর পাশে দাঁড়িয়েছিলেন। 
আওয়ামী লীগের ইতিহাস তো বটেই, বাংলাদেশের ইতিহাস লিখতে হলে বেগম সাজেদা চৌধুরীর কথা আসে উল্লেখ করে হাছান মাহমুদ বলেন, তিনি দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন, কিন্তু আমাদের কামনা ছিল, তিনি যেন বহুদিন ধরে আমাদের সাথে থাকেন। তার এই বিদায় আমাদের জন্য প্রচন্ড বেদনার, আওয়ামী লীগের জন্য প্রচন্ড বেদনার। আমরা সকলে তার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করি। 

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat